Showing posts with label pet care. Show all posts
Showing posts with label pet care. Show all posts

Thursday, 15 March 2018

পাখির বাচ্চার খাবার -সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

পাখির বাচ্চার খাবার

আমরা প্রত্যেকেই জানি পৃথিবীতে সমস্ত প্রাণীদের দেহ লক্ষ লক্ষ কোষ (cell)দিয়ে গঠিত । আর এই কোষ তৈরী হওয়ার জন্য যা প্রয়োজন তা হল প্রোটিন , কার্ব হাইড্রেট , ফ্যাট , ভিটামিন এবং মিনারেলস এর সঠিক ভাগ । এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল প্রোটিন । পাখিকে শস্যদানার সাথে সাথে আমরা অনেক রকম নরম খাবার দিই যেমন ভাত , চিঁড়ে , ডিম সিদ্ধ , ছোলা , মুগ , ভুট্টা প্রভৃতি । বদ্রিকা , ককটেল টেল , লাভবার্ড ইত্যাদি পাখিদের অঙ্কুরিত খাদ্য এবং তার বাচ্চাকে নরম খাবার দিলে ভাল ফল পাওয়া যায়। অনেকের ধারণা বাচ্চাকে নরম খাবার খাওয়াতে পাখি মা-বাবার সুবিধা হয় । কিন্তু কেবল সুবিধা দেখলে হবে না দেখতে হবে সেই খাবার সুষম কিনা অর্থাৎ পাখির বাচ্চার বেড়ে ওঠায় তা কতটা  সাহায্য করে । অবশ্য শুধু ভাত , চিঁড়ে , বিস্কুটের থেকে ভেজানো ছোলা ইত্যাদি অনেক উপকারী । আবার তার থেকে উপকারী ডিম সিদ্ধ । কেবল পাখির বাচ্চার জন্য নয় adultপাখিকেও নিয়মিত নরম খাবার দেওয়া উচিত ।

  পাখি বা তার বাচ্চার সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে এবং বেড়ে উঠতে গেলে প্রয়োজন সুষম balanced  খাবার যা তারা সহজে হজম করে শরীরের কাজে লাগাতে পারে । আমার মতে যে কোন অঙ্কুরিত শস্য এমন এক সুষম খাবার যার মধ্যে Protine  , Vitamin ,Minarels , Enzyme (হজম কারক রস) এমন সুন্দর ভাগে থাকে যা পাখিদের যে কেবল খেতে ভাল লাগে তা নয় , তাদের শরীরকে সুস্থ  ও সবল রাখতে এবং জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে । আমরা পাখিকে যে সমস্ত খাদ্যশস্য খেতে দিই সেইসব খাদ্যশস্য ভিজিয়ে অঙ্কুরিত করলে তারমধ্যে এসবের পরিমাণ বেশ কিছুটা বৃদ্ধি পায় । শুধু তাই নয় বেশ কিছু amino acide যা পাখির প্রয়োজন এবং এমন কিছু এনজাইম তৈরী হয় যা হজমে সাহায্য করে ।

অঙ্কুরিত খাবার


 আমরা যে সমস্ত খাদ্যশস্য অঙ্কুরিত করতে পারি সেগুলি হল ১। চীনা বাদাম ২। ব্ল্যাক সীড ৩। সানফ্লাওয়ার সীড ৪।সরষে ৫। ছোলা ৬। মুগ ৭। মুসুর ৮। ভুট্টা ৯। গম প্রভৃতি ।

 কি করে অঙ্কুরোদগম করা যায় :-

প্রথমে হাল্কা গরম জলে যে খাদ্যশস্য কে অঙ্কুরোদগম করা হবে তাকে ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে । কেননা কোন ধরণের পোকা মারার ওষুধ দেওয়া থাকলে তা বেরিয়ে যায় ।এরপর একটা বড় কানা উঁচু থালায় জেল রেখে তার মধ্যে একটা ছোট পাত্র রাখতে হবে । সেই ছোট পাত্রের মধ্যে একটা সুতির কাপড় রাখতে হবে যার চারিধার থালার জলের মধ্যে ডুবে থাকবে । ভেজানো শস্য এই কাপড়ের মধ্যে অঙ্কুরোদগম হচ্ছে দেখা যাবে । এই অবস্থায় ভাল করে ধুয়ে যে কোন ধরণের পাখিকে খেতে দেওয়া যেতে পারে ।  
  এছাড়া এই অঙ্কুরিত শস্যকে জৈবসার দেওয়া মাটিতে দিয়ে আলোতে রেখে রোজ একটু করে জল দিলে ৫-৭ দিনের মধ্যে দেখা যাবে ছোট ছোট সবুজ পাখির দিলে অঙ্কুরিত শস্যের সঙ্গে সঙ্গে নিজের হাতে তৈরী কীটনাশক মুক্ত সবুজ খাদ্য ও পাখিকে দিতে পারা যাবে । এছাড়া পাখিরা সবুজ দেখে মনের আনন্দে খাবে এবং তারা শারীরিক ভাবে প্রভূত উন্নতি হচ্ছে ।

নরম খাবার

 আমরা যে সমস্ত নরম খাবার পাখির বাচ্চা কে দিই সেগুলি হল (ক) ১। এক কাপ ভাত ২। গাজর ১ ইঞ্চি ৩। পেঁপে ।
     এই খাবার বানানোর পদ্ধতি হল - ১ ইঞ্চি মাপের গাজর নিয়ে প্রথমে তার ওপরের খোসা ছুরি দিয়ে ছাড়িয়ে নিতে হবে । এরপর গাজরটিকে কুচি কুচি করে কেটে ফুটন্ত গরম জলে ফেলে দিতে হবে । ২-৩ মিনিট পরে জল থেকে ছেঁকে নিয়ে ঠাণ্ডা করতে দিতে হবে । এরপর পেঁপের টুকরোটি নিয়ে ছোট ছোট করে কাটতে হবে খোসা সমেত । তারপর এই গাজর ও পেঁপের টুকরো ভাতের সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে দিতে হবে ।
(খ) ১। ৩-৪ কাপ চিঁড়ে ২। ১ টা সিদ্ধ ডিম ৩। ১/২ কাপ অঙ্কুরিত ছোলা , গোটা মুগ ইত্যাদি । ৪। যে কোন শাকের ১০-১২ টি পাতা ।
  পদ্ধতি – চিঁড়ে খুব ভাল করে ধুয়ে তার মধ্যে ১ কাপ ফুটন্ত গরম জল ঢেলে দিতে হবে । এরপর ১৫-২০ মিনিট ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করার জন্য ঠাণ্ডা জলে ফেলে দিতে হবে । ডিম ঠাণ্ডা হলে খোলা grater এ ঘষলে ডিমের সাদা অংশ এবং কুসুম সরু সরু টুকরোয় পরিণত হবে । এরপর অঙ্কুরিত ছোলা বা গোটা মুগ থেঁতো করে নিতে হবে এবং শাকের পাতাগুলি কুচি কুচি করে কেটে চিঁড়ে , ডিম , শাক , ছোলা বা মুগ এর সঙ্গে একসাথে ভাল করে মিশিয়ে দিতে হবে । তাহলেই সুস্বাস্থ্য সুষম নরম খাবার পাখির জন্য তৈরী হয়ে যাবে ।
(গ) ১। দুটো ডিম সিদ্ধ ২। চারটি থিন এরারুট বিস্কুট ৩। দেড় ইঞ্চি গাজর এবং ৪। ২ ইঞ্চি- আড়াই ইঞ্চি খোসা সমেত পেঁপে ।
 পদ্ধতি – প্রথমে ডিম দুটোকে ১৫-২০ মিনিট সিদ্ধ করে ঠাণ্ডা করার জন্য তুলে রেখে দিতে হবে । বিস্কুট গুলোকে হাতে মিহি করে গুঁড়ো করে নিতে হবে । এরপর গাজরের টুকরোটি ও পেঁপের টুকরোটিকেও grater এ ঘসে ফুটন্ত গরম জলে ২-৩ মিনিট রেখে ভাল করে ছেঁকে নিতে হবে । এরপর সিদ্ধ ডিমের খোসা ছাড়িয়ে ডিমটিকেও grater এ ঘসে নিতে হবে । তারপর ঘসা ডিমের মধ্যে বিস্কুটের গুঁড়ো গাজর ও পেঁপে দিয়ে কাঁটা চামচ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে দিতে হবে ।
(ঘ) ১। দেড় কাপ মোটা চিঁড়ে ২। ১ টা সিদ্ধ ডিম এবং ৩। তরকারীর-খোসা ।
 খাবার বানানোর পদ্ধতি – চিঁড়ে ভাল করে ধুয়ে তাতে ফুটন্ত গরম জল দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে । ডিমটি ভাল করে সিদ্ধ করে নিয়ে তারপর তরকারীর খোসা ভাল করে ধুয়ে প্রেসার কুকারে সিদ্ধ করে নিয়ে সুতির কাপড়ে ছেঁকে নিতে হবে। এরপর ভেজানো চিঁড়ে এবং ডিম সিদ্ধ grater এ ঘসে একসঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে দিলেই তৈরী হয়ে যাবে বাচ্চার সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর নরম খাবার ।
   এইরকম অনেক ধরণের পুষ্টিকর নরম খাবার ও অঙ্কুরিত খাদ্যশস্য পাখির ও বাচ্চার জন্য বানান যেতে পারে এবং এর সাথে সবরকম শাক যেমন- কলম, পালং , থানকুনি,তুলসী ইত্যাদি অল্প পরিমাণে মেশানো যেতে পারে । আমার মতে অঙ্কুরিত শস্য মিশিয়ে দেওয়া যায় । কিন্তু ফিঞ্চ বা স্প্যারো জাতীয় পাখির জন্য থেঁতো করে দেওয়ায় ভাল ফল পাওয়া যাবে ।
     আশাকরি এই পদ্ধতিতে সঠিক খাবার প্রয়োগ করলে পাখি মা-বাবার শরীর এবং বাচ্চার লালন পালনে কোন অসুবিধা হবে না বা শরীরে যে ক্ষয় হয় তা রোধ করা সম্ভব । 

গ্রীষ্মকালে পাখির পরিচর্যা - গরমকালে পাখিকে সুস্থ রাখতে আমাদের কিছু কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে

গ্রীষ্মকালে পাখির পরিচর্যা
আমরা প্রত্যেকেই পাখি পুষতে ভালোবাসি । বিশেষ করে বিদেশী খাঁচার পাখিদের ।খাঁচায় পাখি পোষা এবং তাদের কাছে থেকে তাদের ডাক ও গান শুনতে এবং তাদের যে সৌন্দর্য উপভোগ করার মধ্যে সত্যি একটা দারুণ সুন্দর আনন্দ আছে । আমার মতে শুধু পাখি পুষলেই যে তার আনন্দ উপভোগ করা যাবে তা কিন্তু নয় । এই পাখিকে সুস্থ ও সবল এবং চনমনে রাখার জন্য আমাদের প্রথম কাজ হল পাখির যত্ন । অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে গরম কালে পাখির যত্ন বা পাখিকে আমরা কিভাবে পরিচর্যা করব । আমদের দেশ সাধারণত: গ্রীষ্ম প্রধান হওয়ায় বিদেশী পাখিদের একটু সাবধানে রাখতে হবে এবং বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে । তাই গরমকালে পাখিকে সুস্থ রাখতে এবং হিটস্ট্রোক থেকে রক্ষা করতে হলে আমাদের কিছু কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে । যেমন-

১। গরমকালে বেশী গরম হলে পাখিকে বারে বারে সময়মত অর্থাৎ সকাল ১০ টা থেকে ১২ টার সময় স্নান করাতে হবে যাতে পাখির শরীর অতিরিক্ত গরম না হয়ে যায় এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে এবং ঠাণ্ডা লাগার সম্ভবনা কম থাকবে ।
২। পাখিকে সবসময় ঠাণ্ডা জল খেতে দিতে হবে এবং লক্ষ্য রাখতে হবে সময়মত পাখিটি সঠিক পরিমাণে জল খাচ্ছে কিনা ।
৩। পাখিকে কেবলমাত্র মাটির তৈরী পাত্রেই জল দিলে ভাল হয় । যেমন মাটির হাড়ী বা বড় কোন পাত্রে জল দিলে জল অনেকক্ষণ পর্যন্ত ঠাণ্ডা থাকে । ফলে পাখি সেই ঠাণ্ডা জল খেলে শরীর সুস্থ থাকে ।
৪। গরমকালে পাখিকে সবসময় ঠাণ্ডা ও পরিষ্কার জল দেওয়া উচিত ।

৫। মাটির পাত্রে জল দেওয়ার পর পাত্রটিকে যেকোনো সুতির কাপড় বা লাল শালু কাপড় জড়িয়ে রেখে দিলে জল অনেকক্ষণ পর্যন্ত জল ঠাণ্ডা থাকবে ।
৬। আবার অনেকসময় গরমে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে পাখিকে ডাবের জলও খাওয়ানো যেতে পারে ।কারণ খুব গরমে ডাইরিয়া এবং বার্ড ফ্লু ও ভাইরাস জনিত রোগ হওয়ার সম্ভবনা বেশী থাকে । তাই পাখিকে ডাবের জল , নুন চিনির জল এবং তার সাথে কিছু অল্প পরিমাণে গ্লুকোজ দিলে পাখির শরীর তুলনামূলক ভাবে ঠাণ্ডা থাকবে।আপনি ব্যবহার করতে পারেন Aloe vera যদি ডাইরিয়ায় আক্রান্ত হয় তাহলে সঠিক সময়ে ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্যালাইন ও ইলেক্ট্রোলাইট অবশ্যই দিতে হবে । 


৭। আবার যদি দেখা যায় পাখির সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে বেশী থাকে তাহলে একটি বড় মাপের মাটির পাত্রে জল দিলে পাখিদের জল খাওয়ার সুবিধা হবে এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে খাঁচার বাইরে একটি টেবিল ফ্যান লাগিয়ে দিলে জল ও পাখির ঘরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকবে ।
৮। পাখির খাবার জল বার বার পাল্টে দিতে হবে কেননা নোংরা জল খেলে পাখির কোন সংক্রামক রোগের সৃষ্টি হতে পারে । তাই সকালের জল বিকেলে পাল্টে দিতে হবে এবং বিকেলের জল রাত্রে পাল্টে দিয়ে আবার নতুন করে পাত্রটিকে পরিষ্কার করে পরিষ্কার জল দিতে হবে ।
৯।পাখিকে প্রতিদিন চান করাতে হবে এবং পাখিদের  জল সমেত একটি প্লাস্টিকের পাত্র এমন ব্যবস্থা করতে হবে তারা তাদের ইচ্ছে অনুযায়ী স্নান করতে এবং বসতে পারে
১০। পাখিকে খুব গরমে ১ টি করে সবুজ শাক-সব্জি এবং মৌসুমি ফলের রস পাখিকে দিলে ভাল ফল পাওয়া যাবে। এছাড়া অন্যসময়ে পাখিকে যে পরিমাণে প্রোটিন , ভিটামিন এবং মিনারেলস জাতীয় খাবার দেওয়া হত তার পরিমাণ গরমে খুব অল্প পরিমাণে দেওয়া উচিত । এছাড়া তৈলাক্ত জাতীয় খাবার যেমন সূর্যমুখী , তিল ও সরিষার পরিমাণও কম দিলে পাখি সুস্থ থাকবে। 
১১। অতিরিক্ত গরমে পাখিদের রোগ জীবাণুর সক্রমনের সম্ভবনা বেশী থাকে । তাই এই সংক্রমণের হাত থেকে পাখিদের রক্ষা করার জন্য মাসে ২ থেকে ৩ দিন গরম জলে নিমপাতা সিদ্ধ করে জল ঠাণ্ডা করে সেই জল দিয়ে পাখিকে স্নান করালে পাখির শরীরে যদি কোন সংক্রমক জীবাণু থেকেও থাকে তা রোধ করা সম্ভব হবে বলে আমার ধারণা ।
১২। পাখির খাঁচা বা পাখির ঘর গরমকালে অতিরিক্ত গরম না হয় তারজন্য খাঁচার বাইরে exhaust fan  এর ব্যবস্থা করতে হবে যাতে পাখির ঘরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় কম থাকে ।
       আমার মতে এই সমস্ত কিছু লক্ষ্য করে গরমকালে পাখিদের দেখাশোনা ও যত্ন করলে পাখি সুস্থ , সবল ও চনমনে থাকবে 

ভ্যাকসিনেশন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ . কুকুর ভ্যাকসিনেশন সম্পর্কে জানতে এই লিঙ্কটি ক্লিক করুন

ভ্যাকসিনেশন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ যা আপনি আপনার কুকুরের ভবিষ্যতের ভাল স্বাস্থ্যের জন্য করতে পারেন। 

নিম্নলিখিত রোগ 
যার জন্য আমরা নিয়মিত টিকা দেই:



ক্যানিন Distemper ভাইরাস:
Distemper একটি গুরুতর ভাইরাল রোগ যা কুকুরের দেহের অনেকগুলি সিস্টেমকে প্রভাবিত করে। এই রোগ গুরুতর স্থায়ী মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে
এবং বমি, ডায়রিয়া এবং গুরুতর সেকেন্ডারির সংক্রমণ সহ অন্যান্য ক্লিনিকাল সমস্যা। একটি বায়ুবাহিত ভাইরাস বিক্ষিপ্ত করে।




ক্যানিন হেপাটাইটিস{Canine Hepatitis}:

কুকুরের হেপাটাইটিস ক্যানিন অ্যাডেনোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়। সংক্রামক হেপাটাইটিসটি গুরুতর লিভার ক্ষতি, বমি, ডায়রিয়া এবং মৃত্যুকে কারণযুক্ত করে।
চিকিত্সার জন্য নিবিড় নার্সিং কেয়ার প্রয়োজন, যার মধ্যে হসপিটালে এবং IV তরল রয়েছে। ভাইরাসটি কুকুর থেকে কুকুর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে

কাশি ও হাঁচি।

ক্যানিন কেনল কাশি {Canine Kennel Cough}:

সংক্রামক ট্র্যাচিব্রোনকাইটিস, বা "ক্যানেল কাশি" বেশ কয়েকটি ভাইরাল এবং ব্যাকটেরিয়াল এজেন্টের কারণ হতে পারে এবং কোথাও কোথাও পাওয়া যায়
ঘন। বারেনডেল্লা ব্যাকটেরিয়া এবং প্যারেনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস কানেল কাশি সবচেয়ে সাধারণ কারণ। এই রোগ সাধারণত হয়
গুরুতর নয়, তবে ক্রনিক ও স্থায়ী কাশি হতে পারে কাশি দমনকারী বা অন্যান্য সহায়ক থেরাপির উপশম করতে ব্যবহার করা যেতে পারে
অস্বস্তি। ক্যানেল কাশি তীব্র ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে।


ক্যানিন পারভো ভাইরাস {Canine Parvovirus:}:

কুকুর প্যারভোয়ে ভাইরাস বা প্যারো একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। তরুণ এবং unvaccinated কুকুর বেশী আছে
রোগের সংবেদনশীলতা পারভো একটি অত্যন্ত গুরুতর গ্যাস্ট্রোন্টারিটিটিস যা অত্যন্ত সংক্রামক হয় এবং গুরুতর বমি বয়ে আনতে পারে এবং
রক্তাক্ত ডায়রিয়া প্যারো ফুস, লালা এবং পরিবেশ দূষণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রোগটি কঠিন এবং
চিকিত্সা ব্যয়বহুল এবং সাধারণত বিনা চিকিৎসায় মারাত্মক।




ভ্যাকসিনেশন :
আপনার কুকুরছানা (6 মাস বয়সী) 6 থেকে 8 সপ্তাহ বয়সে তার শরীরে টিকা শুরু করতে হবে। 

DAPP
কুকুরছানা 6-8 সপ্তাহের মধ্যে তাদের প্রথম টিকা গ্রহণ করা উচিত, তারপর প্রতি 2-3 সপ্তাহ পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্ক dentistry erupts (~ 5 মাস)
তারপর বার্ষিক বুস্টার


জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন ভ্যাকসিনেশন
 12 সপ্তাহে প্রথম জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন টিকা
বার্ষিক boosters (বর্তমান টিকা লিখিত প্রমাণ সঙ্গে) তিন বছর জন্য ভাল।
 আপনার কুকুর একটি লাইসেন্সযুক্ত পশুচিকিত্সক দ্বারা জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন জন্য টিকা জন্য প্রয়োজন হয়

ভ্যাকসিনেশন সময়সূচী :
** 6 থেকে 7 সপ্তাহ বয়স্ক: এটি যখন আপনার কুকুরছানা তার প্রথম সংমিশ্রণ ইনজেকশন পেতে হবে

** 9 সপ্তাহ বয়সী: এই বয়সে,  তার দ্বিতীয় সমন্বয় টিকা প্রয়োজন। আপনি আপনার নতুন চিকিত্সা দেখানোর জন্য তার প্রথম ইনজেকশন একটি রেকর্ড আছে তা নিশ্চিত করুন।

** 1২ সপ্তাহ বয়স: 1২ সপ্তাহে আপনার কুকুরটি তার তৃতীয় সংমিশ্রণ ইনজেকশন পাবে। প্রয়োজন হলে, তিনি একটি লাইমে রোগের ভ্যাকসিনও পাবেন

** 12 থেকে 16 সপ্তাহ বয়স্ক: রাষ্ট্রীয় আইনের উপর নির্ভর করে, আপনার কুকুরছানা 1২ থেকে 16 সপ্তাহ বয়সের মধ্যে রেবিসের টিকা ।

**16 সপ্তাহের বয়সী: এটি যখন আপনার কুকুরটি তার চতুর্থ এবং চূড়ান্ত সমন্বয় ইনজেকশন থাকবে। এই সময়ে, আপনার পশুচিকিৎসা আপনাকে পরামর্শ দেবে যখন আপনার কুকুরছানা তার প্রথম হাঁটার জন্য যেতে পারেন।


Disclaimer


এই সাইটের সমস্ত সামগ্রী কেবল তথ্য ও বিনোদন উদ্দেশ্যে সরবরাহ করা হয়।  এটি একটি পশুচিকিত্সক বা অন্যান্য প্রত্যয়িত পেশাদার থেকে পেশাদার পরামর্শ পাওয়ার জন্য বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা উচিত নয়।


The important thing for pet birds

Many people in our country see the birds of a foreign cage awake. I think we can keep these cages in the house at the same time, and we c...